তিন বান্ধবী ও দুই খালালো বোনকে নিয়ে বেইলি রোডে একটি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিল নিমু। ওই ভবনে আগুন লাগলে তারা ছয়জনই আটকা পড়ে।
তখন বাঁচার আকুতি জানিয়ে নিমু নিজের বাবাকে ফোন করে বলেন, ‘বাবা, আমাকে বাঁচাও, আমি আটকে পড়েছি।’
এর কিছুক্ষণ পরই বন্ধ হয়ে যায় নিমুর মোবাইল ফোন। বাবা আবদুল কুদ্দুস দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারেন, তার মেয়ের মরদেহ ইতোমধ্যেই নেয়া হয়ে গিয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে।
আবদুল কুদ্দুস ভারাক্রান্ত কন্ঠে চিৎকার দিয়ে মেয়ের জন্য আহাজারি করে বলেন, ‘মেয়েটা মৃত্যুর সময় বারবার বাবা বলে চিৎকার দিয়েছিল।’
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডের রেস্তোরাঁটিতে আগুন লাগে। এতে অন্তত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন।